USA F1 Interview Experience

#F1_ VISA_Interview_Experience VISA Interview Experience: USA VISA Status: Approved . Interview Date: 13/05/2019 Passport Collected: 15/05/2019 Scheduled Time: 7.30 am […]

#F1_ VISA_Interview_Experience
VISA Interview Experience: USA
VISA Status: Approved
.
Interview Date: 13/05/2019
Passport Collected: 15/05/2019
Scheduled Time: 7.30 am
Intended Term: Fall 2019
Intended University: University of South Carolina
Intended Program: PhD in Epidemiology
Program Start Date: 21/08/2018
Fund: Full Tuition Waiver + University Fellowship + Graduate Assistantship
.
এর পর থেকে আমি বাংলায় লিখছি। কারণ বাংলাতে মনের ভাষা যেভাবে প্রকাশ করা যাবে ইংরেজিতে সেভাবে হবে না। বাংলা ইংরেজির মিশেলের জন্য আগেই ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
.
Experience before Interview:
Reached Embassy: আমি ৭ টার সময় মার্কিন দূতাবাসে পৌঁছাই। আগে যাই নাই। কারণ অত্যধিক গরম। আর এই গ্রুপ থেকে জেনেছিলাম গার্ডরা আধা ঘণ্টা পর পর যাদের ইন্টার্ভিউ হওয়ার কথা তাদের সামনে নিয়ে আসে। হল তাই। ৮ টার দিকের ইন্টার্ভিউ, অনেকে ৬ টার সময় এসে দাঁড়িয়ে ছিলেন। লাভ হয় নাই। তবে যাদের বাসা দুরে তাদের আগেই রওনা দেওয়া ভালো বলে আমি মনে করি। সেইদিন আকাশে মেঘের ঘনঘটা ছিল। আমি মনে মনে বলছিলাম যেন বৃষ্টি নামার আগেই ঢুকতে পারি ভিতরে। সকাল ৭ টা ১৫ তে সাড়ে সাতটার স্লটের যারা তাদের আলাদা করে সামনে নিয়ে গেল গার্ডরা। এপোয়েনমেন্ট কনফার্মেশনের রিসিট দেখে একে একে বা গ্রুপের সবাইকে একসাথে ভিতরে পাঠানো হল।
.
Security checking: গেটে ৭ টা ২৫ এ সিকিউরিটি চেকিং হল। কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইস, স্মার্ট ওয়াচ নিয়ে ঢুকা যায় নাই।
.
Entrance to Embassy main building: এরপর আমরা মেইন বিল্ডিং এ প্রবেশ করলাম। তখন আকাশে সূর্যের মুখ দেখা গেছে। ওয়েটিং লাউঞ্জে বসলাম পাসপোর্টে স্তিকার লাগানোর জন্য। মাথার উপর সুশীতল বৈদ্যুতিক পাখার বাতাস গরম দূর করে দিল। আমার নতুন পাসপোর্টের সাথে পুরাতন তিনটা পাসপোর্ট স্ত্যাপলার মারা ছিল। নতুন পাসপোর্ট স্ত্যাপলার রিমুভার (ওদের সরবরাহ করা) আলাদা করা লাগল। এরপর আঙ্গুলের ছাপ দেওয়ার জন্য বসতে হলে আরেক্টু সামনে এসে।
.
Fingerprinting: বলে রাখা ভালো ফিঙ্গারপ্রিন্ট কাউন্টার এবং ভিসা ইন্টার্ভিউ কাউন্টারগুলো একই জায়গায়। এক থেকে তিন নং কাউন্টারে পাসপোর্ট চেক হয়। আমার ভাগ্যে পড়েছিল এক নং কাউন্টার। সেখানে একজন বাঙ্গালি কর্মকর্তা আমার পুরাতন তিনখানা পাসপোর্টও দেখলেন। এর পর চার নম্বর কাউন্টারে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানিং করা হল। মার্কিন ভিসা অফিসার ভালোই বাংলাতে কথা বললেন (পরে উনিই ১০ নং কাউন্টারে ইন্টার্ভিউ নিয়েছিলেন)। প্রথমে বাম হাতের চার আঙ্গুল এরপর ডান হাতের চার আঙ্গুল এরপর দুই বুড়ো আঙ্গুলের ছাপ নিলেন। এই প্রসেস শেষ হতে ১৫/২০ মিনিটের মত লাগলো।
.
Queuing for main interview: এরপর আমাকে বাইরে বসতে হল। কিছুক্ষণ ভিতরে আসতে বলা হল। ভিতরে দুইখানা বিশাল বেঞ্চ। দুইটাতে সর্বমোট ৫৫ জন বসতে পারে হাইয়েস্ট (এটা লেখা আছে ভিতরে)। ৬,৭,৯,১০ মোট চারটা কাউন্টারে ভিসার সাক্ষাৎকার হচ্ছিল। ভিতরে ভলান্টিয়াররা এই চারটা কাউন্টারের সামনে দাঁড়াতে বলে ভিসা প্রার্থীকে। গ্রুপ হলে একসাথে দাঁড়াতে বলে। একজন বেঞ্চ থেকে উঠে গেলে পাশের জনকে আগাতে হয়। এইভাবে প্রায় আধা ঘণ্টা পর আমি যখন প্রথম বেঞ্চের সর্ববামে পৌঁছালাম, তখন আমাকে ৯ নম্বর কাউন্টারের সামনে দাঁড়াতে বলা হল।
.
Interview experience:
VO Description: তরুণ আফ্রিকান আমেরিকান ভিসা অফিসার। মাথায় কালো চুল। স্মার্ট এবং খুবই ভদ্র।
VISA approved/rejected before the interview: আমার সামনে একজন ফ্যামিলির বি১ এবং বি২ রিজেক্ট করলেন। উনারা কনফারেন্সের পারপাসে দাঁড়িয়েছিলেন। এরপর একজনের ডি ক্রুম্যান ভিসা এপ্রুভ করলেন।
.
Interview Duration: আন্দাজ ৪/৫ মিনিট।
ME: Good Morning sir!
VO: Good Morning sir! Can I have your passport!
ME: Please (পাসপোর্ট পাস করলাম)
VO: Can I have your I20 Please
I20 পাস করলাম
VO: Who is sponsoring your education?… oh!! I see you are fully funded. Please pass me your offer letter please?
অফার লেটার পাস করলাম। আমার অফার লেটার দুই ধাপে ছিল। প্রথমটাকে এডমিশন পরেরটাতে ফান্ডিং অফার চার বছরের ব্রেক ডাউন করা ছিল। উনি অফার লেটার এবং আই ২০ নিয়ে পাশের কাউন্টারের ভিসা অফিসারের সাথে অনেকক্ষণ কথা বললেন। মাইক বন্ধ ছিল। আমার ভয় বাড়তে লাগলো। দেখলাম পাশের ভিসার অফিসার আই-২০ দেখিয়ে কি জানি বলছেন। দুই মিনিট পর তিনি ফিরে আসলেন।
এর পরের সকল আলাপ আমার কাছে একটি রুটিন ড্রিলের মত মনে হয়েছে।
VO: Why have you chosen University of South Carolina at Columbia?
ME: Pardon!
VO: Why have you chosen University of South Carolina at Columbia?
ME: I work with non communicable disease epidemiology! (খুব দ্রুত কথা বলছিলাম, অফিসার বললেন প্লিজ স্লো ডাউন) The professor ‘X’ in the University of South Carolina works with the same subject. His research interest matches with me. I was inspired by his work and he encouraged me to apply in the University of South Carolina. He has offered me graduate assistantship too.
তখন ভিসা অফিসার টাইপ করছিলেন আর মনিটরে কি জানি দেখছিলেন। সম্ভবত উনি আমার কথার সত্যতা পরীক্ষা করছিলেন।
VO: Where was your undergard?
ME: I completed MBBS from Dhaka Medical College under the University of Dhaka. Then I completed Master of Public Health from the BRAC University.. from the school of public health under BRAC University.
VO: What is your plan after graduation?
ME: Currently I am working at BRAC University. I will be on study leave during my doctoral study period. I will come back and join as a faculty member at BRAC University.
VO: What is your father’s and mother’s occupation?
ME: My father passed away last year. He was a retired government official.
VO: Retired government official!! At which level he worked?
ME: He was a deputy director at the Rural Electrification Board, Bangladesh.
VO: Your mother?
ME: She is a retired school teacher.
VO: What courses will you study in the doctoral level?
ME: Basic and advanced courses of epidemiology and biostatistics including study design, longitudinal data analysis, causal inference. I also want to study courses specific to my research interest including cardiovascular disease epidemiology and Cancer epidemiology.
এরপর অফিসার আমাকে আই ২০ আর অফার লেটার ফেরত দিলেন।
তিনি পাসপোর্ট দেখে কিছু টাইপ করলেন।
এরপর আমাকে নীল লিফলেট ধরিয়ে বললেন “I am approving your visa. It will be ready within five days.”
ME: Thank you sir!
VO: Welcome. (মাইক বন্ধ করে পরের জনকে ডাকলেন)
বুকের উপর থেকে একটি বিশাল বড় পাথর নেমে গেল। আমি তাড়াতাড়ি এক্সিটের দিকে পা বাড়ালাম।
.
বেরিয়ে দেখলাম পুরোদমে আলো ছড়াচ্ছে সূর্য। তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
.
Applicant’s profile:
Bachelor : MBBS from Dhaka Medical College, University of Dhaka (CGPA 4.00 on WES evaluation)
Masters : MPH from BRAC JPGSPH, BRAC University (CGPA 3.98, 4.00 on WES evaluation)
GRE : 318 (Quant – 165, V – 153, AW – 3.5)
TOEFL: 109 (R:29, L:29, S: 24, W:27)
Publication : 25 (19 publications during application including five first author publication)
Research Experience: around 3 years (Currently working as a senior research associate at the BRAC JPGSPH, BRAC University)
.
Other Admission:
University of Cambridge, UK (no fund/ PhD in Public Health and Primary Care)
University of Arizona at Tucson (partial fund/ MSc in Epidemiology)
.
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাঃ ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকেই পাবলিক হেলথে কাজ করা ইচ্ছা ছিল। বিশেষ করে পাবলিক হেলথ রিসার্চে। ২০১৫ সালের ৩০ মে আমার ইন্টার্নশিপ শেষ হয়। ১১ জুন আমি ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথে গবেষণা সহযোগী হিসেবে যোগ দেই। ২০১৫ সালের ২০ ডিসেম্বর WHO TDR International Post Graduate Training Scheme বৃত্তি পেয়ে ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথে এমপিএইচ শুরু করি। এরপর এমপিএইচ শেষে ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আবার ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথে যোগ দেই। এমপিএইচের পর রোগতত্ত্ব বা এপিডেমিওলজিতে উচ্চশিক্ষা করার ইচ্ছা জাগে। বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিক অসংক্রামক ব্যাধি বা নন–কমিউনিকেবল ডিজিজ এপিডেমিওলজিতে ক্যারিয়ার করার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু আমাদের রুটিন গবেষণা থেকে পাবলিকেশন আসতে অনেক সময় লাগে। এই জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে কয়েকজন তরুণ গবেষককে নিয়ে ডেমোগ্রাফিক এ্যান্ড হেলথ সার্ভের সেকেন্ডারি ডাটা বিশ্লেষণ করে গবেষণাপত্র লেখা শুরু করি। একই সাথে সিস্টেমেটিক রিভিউ পাবলিশ করি ২ টা। সবগুলো পাবমেড ইনডেক্সড জার্নালে যেমন প্লস ওয়ান, ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল ওপেন, বায়োমেড সেন্ট্রাল। এপ্লাই করতে গিয়ে বুঝেছি এপিডেমিওলজিতে যুক্তরাষ্ট্রের টপ ইউনিভার্সিটিতে বাংলাদেশ থেকে চান্স পাওয়া কতটা কঠিন। সাউথ ক্যারোলাইনাতে ফুল ফান্ডেড পিএইচডির পিছনে গবেষণাপত্রগুলো অনেক হেল্প করেছে।
.
এই চলার পথে যারা সহায়তা করেছেন তাদের প্রতি রইল কৃতজ্ঞতা!
চেষ্টা, পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ের কোন বিকল্প নাই।
বিদ্রঃ
১। এখানে অনেকে পাসপোর্টের আইডি নম্বর আর জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরের ভিতর অমিল নিয়ে চিন্তায় থাকেন। চিন্তার কোন কারণ নাই।
২। বৃষ্টি কিন্তু হয়েছিল। দিনে নয়। রাতে নয় দিন পর রাজধানীর বুকে নামে স্বস্তির বৃষ্টি।
সবার প্রতি রইল শুভ কামনা!
– Rajat Das Gupta

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top